আল্টিমেটাম দিলেন ক্ষমা পাওয়া সেই প্রবাসীরা
আল্টিমেটাম দিলেন ক্ষমা পাওয়া সেই প্রবাসীরা
![]() |
প্রবাসীরা প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাতের জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন এবং সময়মতো দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। |
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষমা প্রাপ্ত ৫৭ জন প্রবাসী বাংলাদেশি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে সাক্ষাতের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। তারা নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত দাবি করে এই সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, জুলাই বিপ্লবে প্রবাসীরা হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মিছিল ও রেমিট্যান্স বন্ধের কর্মসূচি পালন করেন। এর ফলে অনেককে গ্রেপ্তার করে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাজা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে প্রধান উপদেষ্টার ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় তারা মুক্তি পেয়ে দেশে ফেরত আসেন।
তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে:
ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
বিদেশ যেতে ইচ্ছুকদের সরকারি উদ্যোগে বিনা খরচে পাঠানো।
দেশে চাকরির সুযোগ প্রদান।
ব্যবসায়ীদের বিনা সুদে লোনের ব্যবস্থা করা।
বয়স্কদের সরকারি ভাতার আওতায় আনা।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে নো-এন্ট্রি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া।
এখনও যারা গ্রেপ্তার রয়েছেন, তাদের মুক্তির ব্যবস্থা করা।
তাদের নামের তালিকা প্রদানকারীদের বিচার করা।
জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের মতো একটি ট্রাস্ট গঠন করা।
প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাতের অনুমতি প্রদান।
তারা উল্লেখ করেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া ৫০ হাজার টাকার চেক তাদের অসন্তোষের কারণ হয়েছে। তাদের অভিযোগ, মন্ত্রণালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
তারা প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাতের জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন এবং এই সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য সক্রিয় হয়েছেন। তারা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন এবং দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।